চলতি বছর মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা (এমইএনএ) আতিথেয়তা বাজারের আকার প্রায় ৩১০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত হবে। পর্যটক চলাচলে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধির ফলে এটি ২০৩২ সাল নাগাদ ৪৮৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে যাবে। আজ দুবাইয়ে শুরু হয়েছে তিনদিনের ফিউচার হসপিটালিটি সামিট। এ আয়োজনকে সামনে রেখে ওয়ার্ল্ড ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম কাউন্সিলের (ডব্লিউটিটিসি) সাম্প্রতিক প্রতিবেদনকে উদ্ধৃত করছেন সংশ্লিষ্টরা। যেখানে বলা হচ্ছে, চলতি বছর মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতিতে ৩৬৭ বিলিয়ন ডলার অবদান রাখবে পর্যটন খাত। তৈরি হবে ৭৭ লাখ নতুন কর্মসংস্থান।
বিশ্লেষকরা বলছেন, জ্বালানি তেলনির্ভর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর জন্য শক্তিশালী পর্যটন খাত গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাম্প্রতিক দশকে তারা অর্থনৈতিক বৈচিত্র্যায়নে জোর দিয়েছে এবং অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের ওপর থেকে নির্ভরতা কমাতে চাইছে।
প্রতিবেদন অনুসারে, ২০৩০ সালের মধ্যে বছরে ১৫ কোটি পর্যটক আকর্ষণের লক্ষ্যে কাজ করছে সৌদি আরব। এমইএনএ অঞ্চলের অন্যতম অর্থনীতি মিসরের লক্ষ্য হলো ২০২৮ সালের মধ্যে তিন কোটি আন্তর্জাতিক পর্যটককে আকৃষ্ট করা। প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছর মধ্যপ্রাচ্যে আন্তর্জাতিক পর্যটকদের ব্যয় প্রায় ১৯৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছবে, যা মহামারী-পূর্ব ২০১৯ সালের তুলনায় প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ পর্যটন ব্যয় ১১৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছতে পারে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) মধ্যপ্রাচ্যে হোটেল প্রকল্প রেকর্ড সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। ৬৫০টি প্রকল্পের অধীনে মোট ১ লাখ ৬১ হাজার ৫৭৪টি হোটেল কক্ষ নির্মাণাধীন ছিল তখন। ৩৪২টি প্রকল্পে ৯২ হাজারের বেশি হোটেল কক্ষ নিয়ে শীর্ষে রয়েছে সৌদি আরব। এরপর মিসরে ১২৭টি প্রকল্পে তৈরি হচ্ছে ২৮ হাজার কক্ষ। সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) ১০০টি প্রকল্পে রয়েছে ২৫ হাজার ৪৭০টি কক্ষ। খবর আরব নিউজ ও ছবি নিওম